বাটি চালান দিয়েও আওয়ামীলীগের নেতাদের খোজে পাওয়া যাবে না – মাহফুজুর রহমান হুমায়ুন

রিপোর্ট নারায়ণগঞ্জ ২৪ : কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির উদ্যোগে প্রতীকী অনশন কর্মসূচি পালন করা হয়।

বুধবার (৩০ মার্চ) দুপুরে নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রেস ক্লাব প্রাঙ্গণে এ প্রতীকী অনশন অনুষ্ঠিত হয়।

নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির যুগ্ম-আহবায়ক ও রুপগঞ্জ থানা বিএনপির আহবায়ক মাহফুজুর রহমান হুমায়ুন এর সভাপতিত্বে ও জেলা বিএনপির যুগ্ম-আহবায়ক জাহিদ হাসান রোজেলের সঞ্চালনায় এ প্রতীকী অনশন কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখেন, জেলা বিএনপির যুগ্ম-আহবায়ক আব্দুল হাই রাজু, মহানগর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক এ্যাড. আবু আল ইউসুফ খান টিপু সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

এ সময় সভাপত্বির বক্তব্যে মাহফুজুর রহমান হুমায়ুন বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষনা দিয়ে ছিলেন আমাদের ১০ টাকা দরে চাউল খাওয়াবে। সেই চাউল এখন খাচ্ছি ৫০ টাকা করে। বলেছিলো ঘরে ঘরে চাকরীর ব্যবস্থা করে দিবে। এখন চাকরী তো ধুরের কথা ঘরে ঘরে বেকারত্ব বৃদ্ধি পাচ্ছে। এখন তারা নিজেদের পকেট ভারি করতে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি করে রেখেছে। এই দুর্নীতি বন্দ করতে হলে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে ক্ষমতায় আনতে হবে। আজকে আমরা ফুটপাতে বসে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে প্রতীকী অনশন করছি। অচিরেই আমরা রাজপথে নামবো। সেই দিন বেশি ধুরে বাটি চালান দিয়েও আওয়ামীলীগের নেতাদের খোজে পাওয়া যাবে না।

মহানগর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক এ্যাড. আবু আল ইউসুফ খান টিপু বলেন, প্রতিটি ক্ষেত্রে সরকার দুর্নীতির আড্ডায় রুপান্তরিত করে রেখেছে। তারা রাতের আধারে ভোট চুরি করে ক্ষমতায় এসেছে তাই জনগনের কথা চিন্তা করার সময় তাদের নেই। দেশের জনগনকে নানা ভাবে বিপদে ফেলে রেখেছে। সিন্ডিকেটের মাধ্যমে দেশের ব্যবসা পরিচালনা করছে ফলে সরকারের ইচ্ছে মত নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি করছে। তাদের এই অপকর্মের প্রতিবাদ করতে গেলেই এখন লুট, গুম, খুন ও মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানী করছে। তারা বিএনপির বহু নেতাদের গুম করেছে কিন্তু একটা কর্মীকেও বিএনপি থেকে সড়াতে পারেনি। তাই সবাই ঐক্যবদ্ধ হয়ে রাজপথে থেকে আন্দোলন সংগ্রামের মাধ্যমে অবৈধ সরকারের পতন ঘটাতে হবে।

জাহিদ হাসান রোজেল বলেন, দেশের সাধারণ মানুষের টেক্স্রের টাকায় রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী চলে। প্রথমে পদ্মা সেতুর ব্যয় ছিলো ৮ হাজার কোটি টাকা সেটা বেড়ে এখন ব্যয় হয়েছে ৩০ হাজার কোটি টাকা অথচ পদ্মা সেতুর কোন পরিবর্তন হয় নাই। এই ভাবে দেশের মানুষের টাকা লুট করতে দুর্নীতির মহাউৎসবে মেতে উঠেছে। এখন একজন ওয়ার্ডের নেতা কোটি কোটি টাকার মালিকহয়ে গেছে। আর যাদের টেক্সের টাকায় দেশ চলে সেই চালিকা শক্তি সাধারণ জনগন নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি চাপায় পিষ্ঠ হচ্ছে। এর জবাব দেয়ার সময় এসে গেছে পালাবার পথ খোজে পাবেন না।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন, ফতুল্লা থানা বিএনপির সদস্য সচিব শহীদুল ইসলাম টিটু, যুগ্ম-আহবায়ক এ্যাড. আলমগীর হোসেন, আলী আকবর, রুপগঞ্জ থানা বিএনপির সদস্য সচিব বাছির উদ্দিন বাচ্চু, বক্তাবলী ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সভাপতি মাহমুদ, এ্যাড. আল-আমিন সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।