জনগণের ভোগান্তি লাগবে এ অবৈধ আদেশ তুলে নেওয়া হোক – বদিউজ্জামান বাদল

রিপোর্ট নারায়ণগঞ্জ ২৪ : এম.ভি রূপসী-৯ কতৃক যাত্রীবাহী এম.এল আফসার উদ্দিন লঞ্চকে ধাক্কা দিয়ে ডুবিয়ে দেয়া এবং পরবর্তীতে বি.আই.ডব্লিউ.টি.এ কর্তৃক নারায়ণগঞ্জ হতে সকল নৌ-পথে লঞ্চ চলাচল বন্ধ করে দেওয়ার প্রতিবাদে সাংবাদিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

সোমবার (২১ মার্চ) দুপুর ১২ টায় নারায়ণগঞ্জ কেন্দ্রীয় লঞ্চ টার্মিনালে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীন নৌ চলাচল (যাত্রী পরিবহন) সংস্থার জেলা কার্যালয়ে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। 

সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীন নৌ চলাচল (যাত্রী পরিবহন) সংস্থা জেলার সভাপতি বদিউজ্জামান বাদল বলেন, বহুবছর পূর্বে কাঠবডির তৈরী লঞ্চ দিয়ে যাত্রী পরিবহণ ব্যবসার শুরু হয়। যুগ যুগ ধরে এসব লঞ্চ নদী পথে চলাচল করে আসছে। বিগত সরকারের আমলে এসকল লঞ্চ কাঠবডির পরিবর্তে ষ্টীল বডিতে তৈরীর সিদ্ধান্ত হয় এবং সরকার নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সকল লঞ্চ ষ্টীল বডি করার জন্য একটা সময় নির্ধারন করে দেন, পরবর্তীতে পর্যায়ক্রমে সকল লঞ্চ ষ্টীল বডিতে তৈরী হয়। বর্তমানে যাত্রীবাহী সকল লঞ্চ ষ্টীল বডির তৈরী। মাওয়া ঘাটে পদ্মা নদীতে এম.এল পিনাক লঞ্চ ডুবার পর সানকিন ডেগ শব্দটি আলােচনায় আসে। সরকার সকল সানকিন ডেগের লঞ্চ বাতিল করার নির্দেশ দেন। এতে নদীপথে চলাচলকারী যাত্রীবাহী সকল লঞ্চ অচল এবং লঞ্চ মালিকরা সর্বশান্ত হয়ে মারাত্নক ক্ষতিগ্রস্থ হবে বিধায় যথাযথ কর্তৃপক্ষের সাথে আলােচনার পর সানকিন ডেগের লঞ্চ সমূহ মােডিফাই প্লান এর মাধ্যমে হাই/লেবেল ডেগ করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। অতপর বড় লঞ্চ সমূহ মােডিফাই প্লান এর মাধ্যমে হাইডেগ করে নতুন ভাবে তৈরী হলেও ছােট লঞ্চগুলােকে অদৃশ্য কারণে মােডিফাই প্লান দেওয়া স্থগিত রয়েছে। এ ব্যাপারে যথাযথ কর্তৃপক্ষের সাথে বহুবার মৌখিক ভাবে আলােচনা এবং লিখিতভাবেও অনেকবার চিঠি দেওয়া হলেও ছােট লঞ্চের জন্য মােডিফাই প্লান প্রদানের ব্যপারে কার্যকরী কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয় নাই। ছােট লঞ্চ সমূহ মােডিফাই প্লান এর মাধ্যমে আধুনিক ও দ্রুতগামী করা হবে এবং সরকারী নিয়মনীতি মেনে লঞ্চ গুলাে নদীপথে যাত্রী পরিবহণ করবে। আমাদের দাবী, এ অবৈধ আদেশ তুলে নেওয়া হোক, জনগণ ভোগান্তির শিকার হচ্ছে। 

এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন, সিনিয়র সহ-সভাপতি মনিরুজ্জামান, সিনিয়র সদস্য মোঃ হোসেন, কেন্দ্রীয় কমিটির পরিচালক মামুন অর রশিদ, হাজ্বী আলী নূর মিয়া।