শীতলক্ষ্যায় লঞ্চডুবির ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৬, লঞ্চে ধাক্কা দেওয়া সেই জাহাজ আটক

রিপোর্ট নারায়ণগঞ্জ ২৪ : শীতলক্ষ্যা নদীর চর সৈয়দপুর এলাকায় জাহাজের ধাক্কায় লঞ্চডুবির ঘটনায় নিহতের সংখ্যা ছয়জনে দাঁড়িয়েছে। হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। তবে তাৎক্ষণিক তাদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি।

রোববার (২০ মার্চ) দুপুরে সদর উপজেলার চর সৈয়দপুরের আলামিন নগরের ব্রিজের কাছে কয়লা ঘাট এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। লঞ্চডুবির ঘটনায় নিখোঁজের সঠিক সংখ্যা এখনও জানা যায়নি৷ প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছেন, অন্তত ২০ জন যাত্রী এখনও নিখোঁজ রয়েছেন৷ 

এ ঘটনায় ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্স সদরদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (মিডিয়া সেল) মো. শাহজাহান জানান,এমভি রুপসি-৯ নামের জাহাজটি এম এল আফসার উদ্দিন লঞ্চটিকে ধাক্কা দেয়। এতে লঞ্চে থাকা ৫০-৬০ যাত্রী পানিতে ডুবে যান। কয়েকজন সাঁতরিয়ে তীরে উঠলে পরলেও এখনো অনেকে নিখোঁজ রয়েছেন।

নারায়ণগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের উপ-সহকারী পরিচালক আবদুল্লাহ আল আরেফিন আরো জানান, মরদেহ আমাদের হেফাজতে রয়েছে। এদের মধ্যেে এ পর্যন্ত ৬ জনের মৃত্যুর খবর পায়া গেছে। মৃতের সংখ্যা বাড়দে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) মাধ্যমে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

এর আগে দুপুর আড়াইটার দিকে বন্দর থানার আল আমিননগর ও সৈয়দপুরের মাঝামাঝি কয়লাঘাট এলাকায় নির্মিতব্য নাসিম ওসমান ব্রিজের কাছে কার্গো জাহাজের ধাক্কায় যাত্রীবাহী লঞ্চটি ডুবে যায়। এরপর উদ্ধার অভিযানে এখন পর্যন্ত পাঁচজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

শীতলক্ষ্যা নদীতে যাত্রীবাহী লঞ্চে ধাক্কা দেওয়া এমভি রূপসী-৯ নামে জাহাজটি আটক করা হয়েছে। রোববার (২০ মার্চ) সন্ধ্যার দিকে মুন্সিগঞ্জের গজারিয়া হোসেন্দী সংলগ্ন মেঘনা নদী থেকে জাহাজটি আটক করে গজারিয়া কোস্ট গার্ড ও নৌপুলিশ। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন গজারিয়া কোস্ট গার্ডের কন্টিনজেন্ট কমান্ডার লুৎফর রহমান।