কাউন্সিলর ইকবাল বিএনপির এক সাহসী সৈনিক

রিপোর্ট নারায়ণগঞ্জ ২৪ : বিএনপির রাজনীতিতে এক নির্ভিক সৈনিক কাউন্সিলর মোঃ ইকবাল হোসেন। দলের সকল রানৈতিক কর্মসূচীতে সদলবলে অংশ গ্রহন করেন অত্যান্ত নিষ্ঠার সাথে। নিপীড়ন-নির্যাতন সহ্য করেও দেশের গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে আন্দোলন সংগ্রামে থাকেন সামনের কাতারে।

সরকারী দলের হামলা-মামলার ভয়কে সাহসীকতার সহিত মোকাবেলা করে আইনের শাসন, মানবিক মর্যাদা, মৌলিক-মানবাধিকার সহ দেশের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য দলের হয়ে সংগ্রাম করে চলেছেন দৃঢ় পত্র্যয় নিয়ে। যেমন, ২৭টি রাজনৈতিক মামলা খাওয়ার পরও দমে যাননি তিনি। অত্যান্ত সাহসিকতার সহিত দলের পক্ষে তার বলয়ের বিশাল কর্মী বাহিনী নিয়ে কাজ করে চলেছেন। দীর্ঘ সময় ধরে একাধিকবার তিনি জেলও খেটেছেন। ওইসব মামলার মধ্যে অধিকাংশ মামলারই ইতিমধ্যে চার্জসীট হয়ে গেছে।

মোঃ ইকবাল হোসেন পূর্বের জেলা বিএনপির কমিটিতে সহ-অর্থ বিষয়ক সম্পাদক পদে দায়িত্বে ছিলেন। তাছাড়া তিনি নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের ২নং ওয়ার্ডের জনপ্রিয় একজন কাউন্সিলর। এতো কিছুর পরেও সদ্য গঠিত ৪১ সদস্য বিশিষ্ট নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটিতে স্থান হয়নি তার।
অথচ এই কমিটিতে বহু সংখ্যক সুবিদাভোগী ব্যাক্তিরা স্থান পেয়েছে। যাদের নেই কোন কর্র্মীবাহিনী। মিছিল মিটিংয়ে একা আসেন একা যান।

সূত্রমতে জানাযায়, আহবায়ক কমিটিতে ইকবাল হোসেনের স্থান না পাওয়ার পিছনে একটি পক্ষের কারসাজি রয়েছে। আর সেটা হলো নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সাবেক সাংসদ আলহাজ্ব মুহাম্মদ গিয়াসউদ্দিনের অনুসারী হওয়ার কারনে ওই পক্ষের রোষানলে পরেন তিনি।

সূত্রটি আরো বলছে, গিয়াসউদ্দিনের লোক হওয়ায়ার কারনেই তাকে মাইনাস করার চেষ্টা বরাবরই করে ঐ পক্ষটি। এবারও সেই কারনে তার স্থান হয়নি বর্তমান আহবায়ক কমিটিতে।

এদিকে, দলের তৃণমূল মনে করেন- ইকবালের মত ত্যাগী নেতাকর্মীদের দলের দায়িত্বে আনা না যায় তাহলে দল সাংগঠনিকভাবে শক্তিশালী হবেনা। তাই সুবিদাভোগীদের খপ্পর থেকে বের হয়ে এসে ত্যাগী নেতাকর্মীদেরকে গঠিত হতে যাওয়া থানা কমিটিগুলোতে পদায়ন করা উচিত বলে মনে করেন।

এখন দেখার বিষয় নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটি থানা কমিটি গুলোতে ত্যাগীদের নাকি সুবিধাভোগীদের স্থান দেয়।