আমি জামায়াত শিবির করি যারা বলেছে তাদের কাছে গিয়ে জিঙ্গাসা করেন – আকতার হোসাইন!

রিপোর্ট নারায়ণগঞ্জ ২৪ : নারায়ণগঞ্জ সদর থানার গোগনগর ইউনিয়নের চর সৈয়দপুর এলাকাধীন ‘গ্রীন বার্ড কিন্ডার গার্টেন’ নামের একটি বেসরকারী স্কুলের প্রধান শিক্ষক আকতার হোসাইন এর বিরুদ্ধে জামায়াত-শিবির এর সংশ্লিষ্টতা রয়েছে বলে স্থানীয় একাধিক এলাকাবাসির এমনই অভিযোগ!

সম্প্রতি গোগনগর ইউনিয়নের চর সৈয়দপুর এলাকায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিসব উপলক্ষে শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস-২০২১ স্বরণে দোয়া ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠানে সদর থানার গোগনগর ইউনিয়ন পরিষদের আসন্ন নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী ফজর আলী ও সদর থানা আওয়ামীলীগের সাবেক সহ সাংগঠনিক সম্পাদক নাজির ফকিরকে একটি অনুষ্ঠানে একটি ছবিতে ফুলেল শুভেচ্ছা জানাতে দেখা যায় আকতার হোসাইনকে! বিষয়টি নিয়ে গোগনগর ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডে সর্বত্র সমালোচনা ঝড় বইছে পাশাপাশি বিষয়টি ভিন্ন চোখে দেখছেন স্থানীয় এলাকাবাসি!

সূত্র মতে গোগনগর ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের স্থানীয় এলাকার একাধিক ব্যাক্তিরা জানায়, বিগত ৩/৪ বছর পূর্বে মালয়শিয়া থেকে দেশে আসার সময় রাজধানী ঢাকায় বিমান বন্দর থেকে তাকে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ! এর কিছুদিন পর পূণরায় কি কারনে আবারো সদর মডেল থানা পুলিশ তাকে আটক করে নিয়ে যায়। এলাকার যে কোন সাধারন লোকেই কম-বেশী জানে সে শিবির করে। আসন্ন গোগনগর ইউনিয়ণ পরিষদ নির্বাচনে ৯নং ওয়ার্ড থেকে মেম্বার পদে এলাকার সকলের নিকট সমর্থন ও দোয়া কামনা করেছেন আকতার হোসাইন।

গোগনগর ইউনিয়ণবাসীর মনে এখন প্রশ্ন জেগেছে, সত্যিই যদি জামায়াত-শিবির এর সাথে সংপ্রিক্ততা থাকে আকতার হোসাইন তাহলে কি ভাবে আসন্ন নির্বাচনে ৯নং ওয়ার্ড থেকে সে নির্বাচন করবে? কে দিবে তাকে সমর্থন? কার ভরসায় সে এই নির্বাচন করবে তিনি? এমন সকল প্রশ্ন এখন চর সৈয়দপুর এলাকার সাধারন মানুষের মুখে মুখে।

এ বিষয়ে আকতার হোসাইন এর মুঠোফোনে জানতে চাইলে তিনি জানান, আমি জামায়াত-শিবির করি কিনা যারা বলেছে তাদের কাছে গিয়ে জিঙ্গাসা করেন। সদর থানার বিষয়ে আপনি যা শুনেছেন এটা অনেকাংশেই ভূল ইনফরমেনশন। এ সময় তিনি এ প্রতিবেদকে বলেন, আপনাকে আমি চিনি না, আপনি আসেন আপনার চায়ের দাওয়াত রইল। সদর থানায় আমার বিষয়ে আমার বিরুদ্ধে কোনদিন জিডি হয় নাই বা সদর থানা পুলিশ আমাকে গ্রেফতারও করে নাই। আমি কোন ধরনের ক্রাইম করি নাই জরিত না। আপনি যা শুনেছেন সবই ভূয়া বলেই তিনি অপর প্রাপ্ত থেকে ফোনটি রেখে দেন।