সদর থানা আওয়ামীলীগের ত্রি-বার্ষিক কাউন্সিলের সাধারন সম্পাদক পদপ্রার্থী এবিএম আজহারুল ইসলাম

রিপোর্ট নারায়ণগঞ্জ ২৪ : আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক অবকাঠামো তৈরী করার লক্ষে নারায়ণগঞ্জ জেলা, মহানগর, উপজেলা, থানা, পৌর, ইউনিয়ন ও ওয়ার্র্ডের সকল কমিটির সম্মেলন আগামী ১০ ডিসেম্বরের মধ্যে সম্পন্ন করার নির্দেশনা পাওয়ার পর নারায়ণগঞ্জ সদর থানা আওয়ামীলীগ এর ত্রি-বার্ষিক কাউন্সিলের সাধারন সম্পাদক প্রদপ্রার্থী হয়েছেন বর্তমানে সদর থানা আওয়ামীলীগের দায়িত্বরত সাধারন সম্পাদক এবিএম আজহারুল ইসলাম।

এবিএম আজহারুল ইসলাম জানান, এর পিতা একজন রাজনৈতিক ব্যাক্তিত্ব ছিলেন। বীর মুক্তিযোদ্ধা সংগঠক,বীর মুক্তিযোদ্ধো ও জাতির জনকের নামে ১৯৭০ সালে সৈয়দপুর বঙ্গবন্ধু উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা সাধারন সম্পাদক ছিলেন। তার পিতা মুক্তিযোদ্ধা সংগঠক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম সিরাজুল ইসলাম, বড় ভাই এবিএম বীর মুক্তিযোদ্ধা কামাল উদ্দিন ও চাচা বীর মুক্তিযোদ্ধা সিপাহী মোঃ জামাল উদ্দিন বীর বিক্রম, চাচা বীর মুক্তিযোদ্ধা কামাল উদ্দিন ও চাচা বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ গিয়াস উদ্দিন।

২১ বছর পর বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হওয়ার পর ২০০১ সালে চাষাড়া আওয়ামীরীগ অফিসে বর্বরোচিত বোমা হামলায় প্রায় ২১ জন প্রান হারায়। তারই মধ্যে তার বড় ভাই নারায়ণগঞ্জ সদও আওয়ামীলীগের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারন সম্পাদক শহীদ এবিএম নজরুল ইসলাম তাদের সাথে নিহত হন। আরেক ভাই এবিএম আমিরুল ইসলাম বন্দর থানা পৌর আওয়ামীরীগ এর সাধারন সম্পাদক। ছোট ভাই মোঃ কবিরুল ইসলাম গোগনগর ইউনিয়নের ছাত্ররীগের সভাপতি ও ছোট ভাই মোঃ সফিকুল ইসলাম খোকন যুবলীগ নেতা।

তিনি আরো জানান, তিনি একজন রাজনৈকি পরিবারের সন্তান হয়েও একজন সাধারন ব্যবসায়ী। তার প্রতিষ্ঠানের নাম মেসার্স আজহার এন্টারপ্রাইজ। তাছাড়া তিনি বিভন্ন সামাজিক প্রতিষ্ঠানের সাথে জরিত। গোগনগর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক। এয়াড়াও সৈয়দপুর মোহাম্মদী ক্লাবের সাধারন সম্পাদক, সৈয়দপুর পুরান জামে মসজিদেও পুরাতন জামে মসজিদের প্রধান উপদেষ্টা, হাজী আলী হোসেন বেপারী হাফেজিয়া আলিয়া মাদ্রাসার উপদেষ্টা, হাজী সামসুন নাহার আইডিয়াল স্কুলের উপদেষ্টা, হাজী সেলিম মাদ্রাসার উপদেষ্টা, সৈয়দপুর ঈদগাহ পরিচালনা কিমটির যুগ্ন সম্পাদক ও সৈয়দপুর আলমাছ আলী হাসপাতালের কার্যনির্বাহী সদস্য এবং সৈয়দপুর পূর্ব সমাজের একজন সালিশকার।

তিনি অত্র ইউনিয়নের আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক হিসেবে আওয়ামী পরিবারের সকল নেতাকমৃীদেরকে সাথে নিয়ে পরিচ্ছন্ন রাজনীতি করেন। কোন চাঁদাবাজি, কোন সন্ত্রাসী, মাদক ব্যবসাযী-মাদক সেবী,ভূমি দস্যুদের আশ্রয়- প্রশ্রয় দেয়নি এবং ভবিষ্যদে দেবেন না। তিনি নারায়ণগঞ্জ সদর থানার সকল আওয়ামীলীগ নেতাকমৃীদেও ও ২০১৯ এর কাউন্সিলে অংসগ্রহনকারী সকল ভাইয়েদও সার্বিক সহযোগিতায় একজন মুক্তিযোদ্ধার সন্তান, একজন মুক্তিযোদ্ধার ভাই ও শহিদ পরিবারের সন্তান হিসেবে নারায়ণগঞ্জ সদর থানার সকল বীর মুক্তিযোদ্ধাদের এবং একজন আওয়ামলিীগের পরিচ্ছন্ন কর্মী হিসেবে সকলের পাশে থেকে সকলের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন।