সম্মানের সহিত অবসর গ্রহণের করতে চান গণিত শিক্ষক ইসমাইল হোসেন ভূঁইয়া

রিপোর্ট নারায়ণগঞ্জ ২৪ : নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ফতুল্লা পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলী ও প্রধান শিক্ষক আনোয়ার হোসেনের টালবাহানা ও ষড়যন্ত্রের কারণে ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে সিনিয়র গণিত শিক্ষক ইসমাইল হোসেন ভুঁইয়ার পরিবার এমিই অভিযোগা করেছেন তিনি।।

শনিবার (২৭ এপ্রিল) সকালে নারায়ণগঞ্জ প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে এ সমস্ত অভিযোগ তুলে ধরেন ফতুল্লা পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের সিনিয়র গণিত শিক্ষক ইসমাইল হোসেন ভুঁইয়া এ বিষয়ে একটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ সময় জানান, ১৯৯৪ সালে স্কুলটিতে যোগদানের পর থেকেই তার বিরুদ্ধে প্রধান শিক্ষক শুরু করে নানা ষড়যন্ত্র। অবশেষে স্কুলটি থেকে নানা ষড়যন্ত্র করে বের করে দেয়া হয় এ শিক্ষককে। কিন্তু তিনি তাদের এই বেআইনি সিদ্ধান্ত মেনে নিতে পারেন নি। তাই তিনি দ্বারস্থ হয়েছিলেন আদালতের।

নারায়ণগঞ্জের ২য় সহকারী জজ আদালত থেকে শুরু করে হাইকোর্টসহ সব আদালতে রায় তার পক্ষে। স্কুলের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলী ও প্রধান শিক্ষক আনোয়ার হোসেন আদালতের সেই রায়কে বৃদ্ধাঙুলি দেখিয়ে তাকে স্কুলে যোগদানে নানা প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে বলেও অভিযোগ করেন ওই গণিত শিক্ষক। আগামী ৩০ এপ্রিল তার অবসর গ্রহণের তারিখ। কিন্তু প্রধান শিক্ষক আনোয়ার হোসেন ও মোহাম্মদ আলী যে কোন মূল্যে তাকে বিদ্যালয়ে যোগদান হতে বিরত রাখতে বদ্ধপরিকর। প্রধান শিক্ষকের অনৈতিকতা ও জিঘাংষার এমন পর্যায়ে গেছে যে, সুপ্রীম কোর্টের বরাত দিয়ে মিথ্যা বলতেও তিনি কুন্ঠা বোধ করছেন না। তাদের এ অন্যায় ও বেআইনী আচরনের ফলে তিনি এবং তার স্ত্রী ও দুই কন্যা নিয়ে তার পরিবার বিধ্বস্ত হয়ে গেছে।

তিনি আরো জানান, সারাজীবন তিনি প্রাইভেট পড়িয়ে কোনমতে সংসার চালিয়ে তিনি আজ ক্লান্ত ও পরাজিত। সাময়ীক বরখাস্তের নামে দীর্ঘ ১৭ বছরেরও অধীকাল তাকে বিদ্যালয়ের চাকুরি থেকে দূরে রাখতে তারা সফল হয়েছে। যদিও তার বিরুদ্ধে অদ্যাবধি কোন তদন্ত কমিটি গঠনই করা হয়নি। আর মাত্র তিন দিন পরে এ শিক্ষকের অবসর গ্রহণের দিন। তাই একদিনের জন্য হলেও বিদ্যালয়ে যোগদান করে হৃত সম্মানটুকু ফেরত এবং সম্মানের সহিত অবসর গ্রহণের করতে চান বলে জানান সিনিয়র এই গণিত শিক্ষক।